ইষ্রা
গ্রন্থস্বত্ব
হিব্রু পরম্পরা পুস্তকটির গ্রন্থকার রূপে ইষ্রাকে কৃতিত্ব দেয়। অপেক্ষাকৃত অপরিচিত, ইষ্রা প্রধান যাজক হারোণের প্রতক্ষ্য বংশধর ছিলেন (7:1-5), এইরূপে তিনি তার অধিকার বলে একজন যাজক এবং অধ্যাপক ছিলেন। ঈশ্বরের প্রতি তার আগ্রহ এবং ঈশ্বরের ব্যবস্থা ইষ্রাকে আলোড়িত করেছিল ইহুদীদের এক গোষ্ঠীকে নেতৃত্ব দিতে পারস্য সাম্রাজ্যের ওপর রাজা অর্তক্ষস্তর রাজত্বের দিন কালে ইস্রায়েলে ফিরে আসতে।
রচনার সময় এবং স্থান
আনুমাণিক 457 থেকে 440 খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যবর্তী সময়
পুস্তকটি যিহুদাতে লেখা হয়েছিল, সম্ভবতঃ যিরুশালেমে বাবিল থেকে প্রত্যাবর্তনের পরে।
গ্রাহক
নির্বাসন থেকে যিরুশালেমে প্রত্যাবর্তনের পর ইস্রায়েলীগণ এবং শাস্ত্র বাক্যের ভবিষ্যতের সমস্ত পাঠকবর্গ। উদ্দেশ্য ঈশ্বর ইষ্রাকে ব্যবহার করলেন শারীরিকভাবে লোকেদের জন্মস্থানে ফিরিয়ে দিতে এবং আত্মিকভাবে পাপের থেকে অনুতাপের মাধ্যমে ঈশ্বরের নিকট পুনরায় স্থাপন করতে। যখন আমরা প্রভুর কাজ করি তখন আমরা অবিশ্বাসী এবং আত্মিক শক্তির থেকে বিরোধিতা আশা করতে পারি, কিন্তু যদি আমরা দিনের র পূর্বেই প্রস্তুত থাকি, তবে আমরা ভালোভাবে সুসজ্জিত হতে পারি বিরোধের সম্মুখীন হতে। বিশ্বাসের দ্বারা আমরা রাস্তা বন্ধ হতে দেব না আমাদের উন্নতিকে স্তব্ধ হতে। ইষ্রা পুস্তকটি একটি মহান অভিজ্ঞান প্রদান করে যে নিরুত্সাহ এবং ভয় আমাদের জীবনে ঈশ্বরের পরিকল্পনাকে পূরণ করার ক্ষেত্রে সবথেকে দুইটি বড় বাধা হচ্ছে।
বিষয়
পুন:স্থাপন
রূপরেখা
1. যিরুব্বাবেলের অধীনে প্রথম প্রত্যার্বতন — 1:1-6:22
2. ইষ্রার অধীনে দ্বিতীয় প্রত্যার্বর্তন — 7:1-10:44