যিরমিয়
গ্রন্থস্বত্ব
যিরমিয় তার নকলবিশ বারূকের সাথে। যিরমিয়, যিনি যাজক এবং ভাববাদী উভয়ের ভূমিকা পালন করেছিলেন, তিনি হিল্কিয় নামক যাজকের পুত্র ছিলেন (2 রাজাবলি 22:8 এর মহা-যাজক নয়)। তিনি অনাথোৎ নামক একটি ক্ষুদ্র গ্রামের নিবাসী ছিলেন। তাকে তার সেবা কার্যে বারূক নামে একজন নকলবিশের দ্বারা সহায়তা করা হত, যাকে যিরমিয় মুখে মুখে বলতেন এবং সে তা হুবহু লিখত এবং ভাববাদীর সংবাদ থেকে সংকলিত করে তাকে তার কব্জায় রেখে দিত (যিরমিয় 36:4, 32; 45:1)। যিরমিয় রোদনকারী ভাববাদী বলে পরিচিত ছিলেন (যিরমিয় 9:1; 13:17; 14:17), বাবিলোনিয়ানের আক্রমণের বিচার সংক্রান্ত তার ভাববানীর কারণে তিনি সংঘর্ষের জীবন যাপন করছিলেন।
রচনার সময় এবং স্থান
আনুমাণিক 626 থেকে 570 খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যবর্তী সময়।
এটা সম্ভবতঃ শেষ হয়েছিল বাবিলোনিয়ান নির্বাসনের কোনো এক দিন, যদিও কতিপয় লোক বিবেচনা করেন যে পুস্তকটির সম্পাদনা এমনকি আরও পরে চলে থাকবে।
গ্রাহক
যিহুদা এবং যিরুশালেমের লোকেরা এবং পরবর্তী সমস্ত বাইবেল পাঠকগণ।
উদ্দেশ্য
যিরমিয় পুস্তকটি আমাদেরকে ঈশ্বরের নতুন নিয়ম সম্বন্ধে স্পষ্টতম আভাষ দেয়, তাঁর অভিপ্রেত ছিল তিনি তার লোকেদের সঙ্গে এটাকে স্থাপন করবেন একবার যখন খ্রীষ্ট পৃথিবীতে আসবেন। এই নতুন নিয়ম হবে ঈশ্বরের লোকেদের জন্য পুন:স্থাপন, যেন তিনি তাঁর ব্যবস্থাকে তদের মধ্যে রাখবেন, প্রস্তর ফলকে রচনার পরিবর্তে মাংসের হৃদয়ে লিখে। যিরমিয় পুস্তকটি যিহুদার চূড়ান্ত ভাববাণী সমূহকে নথিভুক্ত করে, আসন্ন বিনাশের ব্যাপারে সাবধান করে, যদি না জাতি অনুতাপ করে। যিরমিয় জাতিকে ঈশ্বরের নিকটে ফিরে আসতে আহ্বান করে। ঠিক সেই দিনের, যিরমিয় যিহুদার অনুতাপহীন প্রতিমা পূজা এবং অনৈতিকতার কারণে এটার বিনাশের অপরিহার্যতাকে জানতে পারে।
বিষয়
বিচার
রূপরেখা
1. ঈশ্বরের দ্বারা যিরমিয়কে আহ্বান — 1:1-19
2. যিহূদাকে সাবধানবাণী — 2:1-35:19
3. যিরমিয়র কষ্টভোগ — 36:1-38:28
4. যিরুশালেমের পতন এবং এর পরিনাম — 39:1-45:5
5. জাতিগণ সম্পর্কে ভাববাণী সমূহ — 46:1-51:64
6. ঐতিহাসিক পরিশিষ্ট — 52:1-34